নতুন লেখকদের বই প্রকাশ করার আগে যা জানা অবশ্যই প্রয়োজন

নতুন লেখকদের বই প্রকাশের আগে যা জানতেই হবে

আপনি যদি একজন লেখক হয়ে থাকেন, তাহলে হয়তো আপনার সবচেয়ে বড় স্বপ্ন—নিজের লেখা একটি বই হাতে পাওয়া। কিন্তু এই স্বপ্ন পূরণের পথে সবচেয়ে বড় বাধা আসে প্রকাশনার জগৎ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা না থাকায়।

বর্তমান সময়ের বাস্তবতা হলো—৯৯% নতুন লেখককেই নিজের খরচে বই প্রকাশ করতে হয়। আর বই প্রকাশ ও বিক্রয় সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা না থাকার কারণে অনেকেই প্রথম বই প্রকাশের পরই হতাশ হয়ে পড়েন। রয়্যালিটি পান না, বই বিক্রি হয় না, আর্থিক ক্ষতি হয়—শেষমেশ তারা হয়তো আর কোনোদিন নতুন বই লেখার অনুপ্রেরণাও হারিয়ে ফেলেন।

তাই বই প্রকাশের আগে কিছু সত্য জানা আপনার জন্য অত্যন্ত জরুরি।

🏢 ১. প্রকাশনীও একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান

প্রকাশনী অন্য সকল ব্যবসার মতই একটি ব্যবসা। তাদের অফিস ভাড়া, কর্মচারীর বেতন, প্রচার খরচ—সবকিছু চালাতে হয় বই বিক্রির টাকায়। 

৯০ দশক ও তার আগে বই বিক্রি ছিল সহজ—মানুষের হাতে সময় ছিল, বিনোদনের মাধ্যম সীমিত ছিল, ফলে পাঠক ছিল অগণিত। তখন একজন লেখকের বই কয়েক হাজার কপি বিক্রি হয়ে যেত অনায়াসে। প্রকাশকেরাও সাহস করে বিনিয়োগ করতেন, কারণ বিক্রির নিশ্চয়তা ছিল।

কিন্তু এখন প্রকাশকরা নিজের পকেট থেকে বিনিয়োগ করলে সেটা বেশির ভাগ সময়ই উঠে আসে না। বই বিক্রি না হলে তাদের অফিস চালানোই কঠিন হয়ে পড়ে। তাই তারা এখন লেখকের কাছ থেকে বিনিয়োগ চান।

অনেকে বলেন, “ভালো সাহিত্য হলে বই এমনিতেই বিক্রি হয়।”

বাস্তবে এখন আর সেটা হয় না। আজকের যুগে সাহিত্যমানের পাশাপাশি দরকার মার্কেটিং ও হাইপ। ভালো বইও বিক্রি হবে না যদি পাঠক জানেই না যে বইটি বাজারে আছে।

⚠️ ২. অসাধু প্রকাশক ও রয়্যালিটি জটিলতা

বাংলাদেশে অনেক প্রকাশক আছেন যারা লেখকের অর্থ নিয়ে শুধু নামমাত্র প্রিন্ট করে দেন।

সম্পাদনা নেই, ডিজাইন খারাপ, প্রিন্ট মানহীন—ফলে বই পড়তে গিয়েই পাঠক বিরক্ত হন।

তারপর বই বিক্রির হিসাবও ঠিকমতো লেখককে দেওয়া হয় না। কারণ শুরুতেই কোনো লিখিত চুক্তি হয় না। ফলে রয়্যালিটি পাওয়ার প্রশ্নই আসে না।

✍️ ৩. দুর্বল পাণ্ডুলিপি

অনেক লেখকই পাণ্ডুলিপি তৈরি, সম্পাদনা, এবং কাঠামোগত দিকগুলোতে দক্ষ নন। প্রকাশকও গুরুত্ব দেন না। ফলে বইটি পড়ে মনে হয় এটি “অসমাপ্ত” বা “অগোছালো।” এর ফলে পাঠক হারিয়ে যায়।

📢 ৪. মার্কেটিং সম্পর্কে অজ্ঞতা

আজকের যুগে মার্কেটিং মানেই বিক্রি।

কিন্তু নতুন লেখকদের অনেকেই মনে করেন এটা প্রকাশকের দায়িত্ব।

সত্য হলো—বিশ্বের সবচেয়ে বড় বই বিক্রির প্ল্যাটফর্ম Amazon KDP-তেও লেখককেই নিজের বইয়ের মার্কেটিং করতে হয়। সোশ্যাল মিডিয়া, বুক রিভিউ, রিল ভিডিও, পাঠক কমিউনিটি—এই সবই বই বিক্রির চাবিকাঠি।

এখন এমন সময় চলছে যখন ভালো মার্কেটিং থাকলে গড়পড়তা বইও লাখ টাকায় বিক্রি হয়, আর মার্কেটিং না থাকলে ভালো বইও অচেনা থেকে যায়।

🌟 নতুন লেখকদের জন্য এই সকল সমস্যার সহজ সমাধান নিয়ে এসেছে — বাংলাদেশের প্রথম সেলফ পাবলিশিং প্ল্যাটফর্ম “লিপির আলো”

লিপির আলো বিশ্বাস করে— লেখকই তার নিজের বইয়ের মালিক। তাই এখানে আপনাকে কোনো প্রকাশকের উপর নির্ভর করতে হয় না।

💡 নতুন লেখকদের জন্য লিপির আলোর সুযোগ – সুবিধা:

1️⃣ নিজেই নিজের বই প্রকাশ করুন – সম্পূর্ণ ফ্রি ই-বুক প্রকাশ

লিপির আলোতে নিজের অ্যাকাউন্ট খুলে আপনি বিনামূল্যে ই-বুক প্রকাশ করতে পারবেন। এই ই-বুক বিক্রির টাকা সরাসরি আপনার একাউন্টে জমা হবে।

2️⃣ লেখক ড্যাশবোর্ড সুবিধা

রিয়েল-টাইমে দেখতে পারবেন—কয়টি বই বিক্রি হলো, কত আয় হলো।

3️⃣ ই-বুক বিক্রির টাকা দিয়েই প্রিন্ট বই প্রকাশ করতে পারবেন

ফলে আপনার পকেট থেকে এক টাকাও খরচ না করে, ই-বুক বিক্রির আয় দিয়ে প্রিন্ট বই প্রকাশ করতে পারবেন।

4️⃣ সবসময় ৫০% ছাড় নতুন লেখকদের জন্য

প্রথম বই প্রকাশের ক্ষেত্রে লিপির আলো সবসময় নতুন লেখকদের বিশেষ ছাড় দেয়।

5️⃣ বইয়ের মার্কেটিং শেখার সুযোগ

আপনি শিখবেন কীভাবে সোশ্যাল মিডিয়া ও অনলাইন মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে নিজের বই বিক্রি করতে হয়—যা আপনার ভবিষ্যতের বই প্রকাশে বড় ভূমিকা রাখবে।

6️⃣ পাঠক ও ফ্যানবেস তৈরি

ই-বুক বিক্রির মাধ্যমে আপনার বই পাঠকের হাতে পৌঁছাবে, আপনার একটি পাঠক কমিউনিটি গড়ে উঠবে—যা পরবর্তী প্রিন্ট বই বিক্রির সময় আপনার সবচেয়ে বড় শক্তি হবে। এই পাঠক শ্রেণী আপনার প্রিন্ট বই প্রকাশ হলে আগ্রহের সাথে কিনবে।

আজই লিপির আলোতে আপনার একাউন্ট তৈরি করে ই-বুক বিক্রি করুন এবং সারাজীবন প্যাসিভ ইনকাম করুন।

Scroll to Top